Logo
প্রিন্টের তারিখ: 01 November 2026 | প্রকাশের তারিখ: Nov 1, 2026

সংবাদ শিরোনাম : জুলাই আন্দোলনে পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন পলক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য

জুলাই আন্দোলনে পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন পলক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য


প্রকাশের তারিখ: ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিবেদক: নিউজ ডেস্ক

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পাঁচটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্রিজি ও ফোরজি মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ বা সীমিত করার নির্দেশ তৎকালীন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দিয়েছিলেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) উপপরিচালক মাহদী আহমদ। রোববার (১১ অক্টোবর) জুলাই আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগসংক্রান্ত মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এ তথ্য জানান।

সাক্ষীর বক্তব্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ বা সীমিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে তৎকালীন সরকারের টেলিযোগাযোগ খাতের কর্মকর্তাদের যোগাযোগ এবং পরবর্তী বৈঠকের বিষয়টিও তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে।

তবে সাক্ষী একই সঙ্গে জানিয়েছেন, দেশব্যাপী মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ ঠিক কে দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তাঁর প্রত্যক্ষ জ্ঞান নেই। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নির্দিষ্ট সেবা সীমিত করার নির্দেশ এবং সারা দেশে ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত—এই দুটি বিষয়কে আলাদাভাবে বিবেচনা করা জরুরি।

ট্রাইব্যুনালে বিটিআরসি কর্মকর্তার বক্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ১১ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাহদী আহমদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়ে জানান, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে বিটিআরসির তৎকালীন মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করেছিলেন। ওই কথোপকথনে তাঁকে জানানো হয়েছিল যে, তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিটিআরসির তৎকালীন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহিউদ্দিন আহমেদকে পাঁচটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ বা সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সাক্ষীর বক্তব্যে এ নির্দেশ বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক যোগাযোগের বিষয়টি উঠে আসে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা আবার চালু করা হয়।

আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার অর্থ হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁর জানা তথ্য বিচারিক কর্তৃপক্ষের সামনে উপস্থাপন করছেন। তবে সাক্ষ্যের বক্তব্য, অন্য প্রমাণ এবং আসামিপক্ষের জেরা বিবেচনা করে আদালতই নির্ধারণ করবেন কোন তথ্য কতটা গ্রহণযোগ্য এবং মামলার অভিযোগের সঙ্গে তার সম্পর্ক কী।

কোন পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেবা সীমিত করার কথা বলা হয়েছে

সাক্ষীর বক্তব্যে পাঁচটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো—

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৩. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৪. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
৫. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ জুলাই রাতে নির্দেশের বিষয়ে বিটিআরসির কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছিল এবং পরদিন সকালে সংশ্লিষ্ট সেবা পুনরায় চালু করা হয়। সাক্ষী আরও জানান, ১৬ জুলাই সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চারটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ধরনের সেবা সীমিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইন্টারনেট সেবা সীমিত করার বিষয়টি সে সময়কার আন্দোলনের যোগাযোগব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান, জরুরি যোগাযোগ এবং ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানা—এসব ক্ষেত্রে মোবাইল ইন্টারনেটের ভূমিকা থাকায় এমন সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়নের পরিধি এবং তার সঙ্গে পরবর্তী ঘটনাগুলোর সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি ও সাক্ষ্য বিচারিকভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

১৬ জুলাইয়ের বৈঠকে সজীব ওয়াজেদ জয় ও পলকের অংশগ্রহণ

বিটিআরসি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই সংশ্লিষ্ট সেবা সীমিত করার বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং জুনাইদ আহমেদ পলক অনলাইনে যুক্ত হয়েছিলেন।

সাক্ষী জানান, সেদিন সেবা সীমিত করার সিদ্ধান্ত পরবর্তী সময়ে অনুমোদন করা হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট অনুমোদনের তথ্য সরকারি নথিতে লিপিবদ্ধ ছিল। এ বক্তব্যের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু তথ্য আদালতের সামনে এসেছে।

তবে বৈঠকে অংশগ্রহণ করা, কোনো সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত থাকা, সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা এবং কোনো অপরাধে আইনগতভাবে দায়ী হওয়া এক বিষয় নয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নির্ধারণ করতে হলে তাঁদের নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ড, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, প্রযোজ্য আইন এবং অন্যান্য প্রমাণ বিবেচনা করতে হবে।

সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলককে ঘিরে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমে সাক্ষীর বক্তব্য তাই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে এ বক্তব্যের ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা সম্পর্কে আগাম সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।

দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশদাতা সম্পর্কে কী বলেছেন সাক্ষী

মামলার আলোচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যগুলোর একটি হলো বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক মোবাইল ইন্টারনেট সেবা সীমিত করা এবং দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশের বিষয়টি।

বিটিআরসি কর্মকর্তা মাহদী আহমদ ট্রাইব্যুনালে বলেছেন, দেশব্যাপী মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ কে দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তিনি জানেন না। জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (এনটিএমসি) ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করলেও, নির্দেশদাতার পরিচয় সম্পর্কে তাঁর প্রত্যক্ষ জ্ঞান নেই বলে জানান।

এই বক্তব্য সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একজন সাক্ষী যে বিষয়ে প্রত্যক্ষ জ্ঞান থাকার কথা বলেছেন এবং যে বিষয়ে তাঁর জ্ঞান নেই বলে জানিয়েছেন, সেই দুই বিষয় একইভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

তাই সাক্ষীর বক্তব্য থেকে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেবা সীমিত করার নির্দেশের বিষয়ে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তা উল্লেখ করার পাশাপাশি দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশদাতা সম্পর্কে তাঁর অজ্ঞতার বিষয়টিও স্পষ্ট রাখা জরুরি।

২৮ ও ৩১ জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহ

সাক্ষীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২৮ জুলাই ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী পলকের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়েছিল। ওই বৈঠকে চারটি মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা পুনরায় চালুর বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানান।

একই বৈঠকে ফেসবুক, টিকটক, আকামাই এবং বিএএস নেটওয়ার্কের ক্যাশ সার্ভার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যতে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ৩১ জুলাই মোবাইল ইন্টারনেট সেবা পুনরায় চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে বিটিআরসি কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালকে জানান।

এ তথ্যগুলো থেকে বোঝা যায়, আন্দোলনের সময় টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত এবং বৈঠক হয়েছিল বলে সাক্ষী দাবি করেছেন। এসব সিদ্ধান্ত কখন, কীভাবে এবং কার নির্দেশে বাস্তবায়িত হয়েছিল, তা মামলার প্রমাণ মূল্যায়নের অংশ হতে পারে।

তবে সাক্ষীর বক্তব্যের বাইরে কোনো সিদ্ধান্তের অতিরিক্ত ব্যাখ্যা বা উদ্দেশ্য নিজে থেকে নির্ধারণ করা ঠিক হবে না। এ বিষয়ে আদালতে উপস্থাপিত নথি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং জেরার মাধ্যমে বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হতে পারে।

ইন্টারনেট বন্ধের প্রভাব ও জনস্বার্থের প্রশ্ন

ইন্টারনেট আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে রাজনৈতিক আন্দোলন, জরুরি পরিস্থিতি বা জনসমাগমের সময় মানুষ তথ্য সংগ্রহ, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং ঘটনাস্থলের খবর জানার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।

কোনো এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সীমিত করা হলে তথ্যপ্রবাহে প্রভাব পড়তে পারে। তবে সেই প্রভাব কতটা ছিল, কোন সেবা কত সময় বন্ধ ছিল এবং কী কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে নির্ভরযোগ্য নথি, প্রযুক্তিগত তথ্য ও প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের ওপর।

জুলাই আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট সেবা সীমিত করার অভিযোগ নিয়ে বিচারিক কার্যক্রমের গুরুত্ব এখানেই। সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করা হলে ঘটনাগুলোর একটি প্রমাণভিত্তিক চিত্র পাওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে, জাতীয় নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা ও নাগরিকের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আইনগত ভিত্তি এবং জবাবদিহির প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ মামলায় নির্দিষ্ট ব্যক্তির দায় নির্ধারণের কাজ আদালতের, সংবাদমাধ্যমের নয়।

মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের দিকে নজর

১১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে দেওয়া সাক্ষ্য জুলাই আন্দোলনের সময় টেলিযোগাযোগ সেবা সীমিত করার ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে নতুন তথ্য সামনে এনেছে। বিশেষ করে পাঁচটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা সীমিত করার নির্দেশ, ১৬ জুলাইয়ের বৈঠক এবং দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশদাতা সম্পর্কে সাক্ষীর বক্তব্য মামলার পরবর্তী বিচারিক আলোচনায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

পরবর্তী শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষীর বক্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। জেরার মাধ্যমে বক্তব্যের বিস্তারিত, তথ্যের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট নথির সঙ্গে তার সামঞ্জস্য পরীক্ষা করা হতে পারে।

মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য জানতে ট্রাইব্যুনালের আদেশ এবং নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসরণ করা প্রয়োজন। সাক্ষ্য বা অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে আগাম দোষী বলা যেমন অনুচিত, তেমনি বিচারিক প্রক্রিয়ায় উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও যথাযথভাবে প্রকাশ করা জরুরি।


জুলাই আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট সেবা সীমিত করার বিষয়ে বিটিআরসি কর্মকর্তার সাক্ষ্য টেলিযোগাযোগ খাতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে। পাঁচটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেবা সীমিত করার নির্দেশ সম্পর্কে সাক্ষীর বক্তব্য এবং দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশদাতা সম্পর্কে তাঁর প্রত্যক্ষ জ্ঞান না থাকার বিষয়টি পাশাপাশি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এখন মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা, সংশ্লিষ্ট নথি এবং আসামিপক্ষের বক্তব্য কীভাবে মূল্যায়িত হয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অভিযোগ ও সাক্ষ্যকে সেভাবেই উপস্থাপন করা উচিত—যাতে সংবাদ পাঠক সঠিক তথ্য পান এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা বজায় থাকে।

Ad Channel 24
সকল কারিগরি সহায়তায়ঃ চট্টগ্রাম আইটি সফট
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF