নিজস্ব প্রতিবেদক | AdChannel24.com
প্রকাশের তারিখ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ২টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। তাঁর এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন জানান, প্রতিমন্ত্রীর পদে না থাকলেও তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিতে চান তিনি। বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে এসব কার্যক্রমে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বক্তব্যে ইশরাক হোসেন পদত্যাগের বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সম্প্রতি রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় একটি মাদকবিরোধী অভিযানে তাঁর অংশগ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অভিযানে তাঁর ভূমিকা এবং এ ধরনের কার্যক্রমে একজন প্রতিমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়েও বিতর্ক দেখা দেয়।
এ ঘটনার পর ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়টি রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। তবে তাঁর পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের তিনি বলেন মাদকবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
ইশরাক হোসেনের এ ঘোষণার পর এখন তাঁর পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে কি না এবং সরকারের পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পদত্যাগের ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া এক বিষয় নয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এবং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে।
MOHAMMAD MOINUDDIN